৭ম অধ্যায়ঃ মান ব্যবস্থাপনা।

উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন / উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন (১ম পত্র)

৭ম অধ্যায়ঃ মান ব্যবস্থাপনা।

গুরুত্বপূর্ণ টপিক সমূহ 

1. মানের ধারণা 

2. মান ব্যবস্থাপনার ধারণা ও বৈশিষ্ট্য 

3. মান ব্যবস্থাপনার পূর্বস্বত্ব ও কার্যাবলী 

4. মান ব্যবস্থাপনার দর্শন বা নীতি 

5. নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনের কারণ 

6. নিম্নমানের পণ্য উৎপাদন জনিত খরচ 

7. পণ্যের মান নির্ধারণ 

8. মান নির্ধারণের পদক্ষেপ 

9. মান নিশ্চিতকরণ এর ধারণা 

10. বিএসটিআই 

11. মান নির্ধারণে আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা

মানের ধারণা 

পণ্যের যে সকল গুণ বা বৈশিষ্ট্য কে তাদের চাহিদা মেটায় সন্তুষ্টি বিধান করে এবং যার উপযোগিতা বা কার্যকারিতা ভোগকারী ক্রেতাদের কাছে প্রত্যাশার সমান বা তার চেয়েও বেশী তাকে   মান বলে। 

মান হলো পণ্যের পণ্য বা সেবার অন্তনি হত গুন অন্তনি হত গুন অন্তর্নিহিত গুন যার সাহায্যে ক্রেতার প্রত্যাশা পূরণ করা হয় অন্যের সাইজ ডিজাইন ফিনিশিং কালার টেকসই ক্ষমতা ইত্যাদি মানের উপাদান প্রতিযোগিতাপূর্ণ জগতে মানসম্মত পণ্য বা সেবা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসায় টিকে রাখা সম্ভব নয় যদি তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী না হয় তাহলে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করা অসম্ভব 


মান ব্যবস্থাপনার ধারণা

ভক্তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পণ্যের মান নির্ধারণ মানসংরক্ষণ ও উন্নয়নে এবং মান নিয়ন্ত্রণের যাবতীয় কার্যক্রম কে মান ব্যবস্থাপনা বলে। মান হলো কে তাদের প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ মান ব্যবস্থাপনা হলো কি তাদের প্রত্যাশা পূরণের ব্যবস্থা ব্যবস্থাপনা তিনটি নীতির উপর গুরুত্ব দেয় তা হলো ক্রেতা সন্তুষ্টি কর্মী সম্পৃক্ততা এবং মানের ধারাবাহিকত।


 

মান ব্যবস্থাপনার পূর্বশর্ত 

মান ব্যবস্থাপনা মান ব্যবস্থাপনা সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা হল সেই মতবাদ যাত্রী নৃত্যের উপর গুরুত্ব দেয় যা হলো ক্রেতা সন্তুস্টী, কর্মীদের সম্পৃক্ততা এবং মানের ধারাবাহিকতা। কিন্তু এই সকল কার্যাবলী সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য বেশকিছু স্বার্থের উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন যার মাধ্যমে মান ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য অর্জন সম্ভব হয়। মান ব্যবস্থাপনার কতগুলি পূর্বশর্ত নিম্নে দেওয়া হল :

1 কৌশলগত অঙ্গীকার 

2 কর্মীদের ক্ষমতায়ন

 3 উপকরণের  প্রাপ্তব্যতা

 4 দলীয় মতবাদ 

5 আধুনিক প্রযুক্তি 

6 মেশিন চালানোর জ্ঞান

7 উন্নত কাঁচামাল আর বেঞ্চমারকিং 

9 ধারাবাহিক উন্নয়ন 

10 বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত 

11    ক্রেতাদের ওপর গুরুত্বারোপ 


মান ব্যবস্থাপনার দর্শন বা নীতি 

মানসম্মত পণ্য বা সেবা উৎপাদন করা বর্তমানে যে কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য মান ব্যবস্থাপনা নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখে যার কারণে বেশ কিছু দর্শন বা নীতি মেনে চলতে হয়। আগেই আমরা মান ব্যবস্থাপনার দর্শন বা নীতি সম্পর্কে জেনেছি এখন বিস্তারিত জানব। গ্রাহক সন্তুষ্টি মান ব্যবস্থাপনার প্রথম নিদর্শন হলো গ্রাহক সন্তুষ্টি এ নীতির আওতায় মান ব্যবস্থাপনার প্রথম কাজ হলো সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা এবং গ্রাহকের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করা এবং গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে তাদের ওপর অত্যাধিক গুরুত্ব দেওয়া। কর্মী সংশ্লিষ্টতা মান ব্যবস্থাপনার দর্শন।এই নীতিতে উৎপাদনের নিয়োজিত কর্মীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয় যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা প্রদানের ওপর ন্যস্ত থাকলে কর্মীদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়িত হয় এক্ষেত্রে কর্মীরা নিজেদের দ্বারা প্রণীত পরিকল্পনা ও নিরূপিত মান অনুযায়ী কার্য সম্পাদন করতে পারে। ধারাবাহিক উন্নয়ন   হচ্ছে মান ব্যবস্থাপনার অন্যতম একটি নীতি।এক্ষেত্রে ধারণা করা হয় মান ব্যবস্থাপনা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া তবে পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে এবং সময়ের বিবর্তন এই এই মানসম্পন্ন পণ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা মোকাবেলা করা সম্ভব নয় তার জন্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি কাজের উন্নয়নের চেষ্টা করতে হয়। 


নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনের কারণ 

বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ ব্যবসায়ীক পরিবেশে টিকে থাকার জন্য মানসম্মত পণ্য উৎপাদন করা অত্যন্ত প্রয়োজন আর এই প্রয়োজনকে সামনে রেখে সকল প্রতিষ্ঠান মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের চেষ্টা পণ্য উৎপাদনের চেষ্টা করে কিন্তু নানা কারণে পণ্যের মান কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না হয়ে নিম্ন মাত্রা হতে পারে নিম্নে এর কারণ গুলো আলোচনা করা হলো :

নিম্নমানের পণ্য উৎপাদনের কারণ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে   

1.দৈবচয়িত কারণসমূহ

2.  আরোপিত কারণসমূহ 

দৈবচয়িত কারণসমূহ :

অনিরপন যোগ্য বা অজানা কারণে পণ্যের মান নিম্নমানের হলে কাকে দৈবচয়িত কারণ বলে এই কারণগুলোর উপর কর্তৃপক্ষের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না তবে এ কারণে পণ্যের মানের খুব বেশি পার্থক্য হয় না বা নিম্নমানের হয়না যেমন এক রঙের কাপড় উৎপাদন করলে রং এর মধ্যে কিছুটা তারতম্য ঘটতে পারে। আর এই দৈবচয়িত কারণসমূহ

 1. শ্রমিক কর্মীদের কর্মদক্ষতার পার্থক্য 

2 .যন্ত্রপাতির অন্তর্নিহিত কারণ

 3. আকস্মিক দুর্ঘটনা 

4. ভুল ত্রুটি 

5. প্রযুক্তিগত ত্রুটি

 6. অপর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহ 

আরোপিত কারণসমূহ 

যেসকল কারণে পণ্যের মান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিন্তু কর্তৃপক্ষের সাথে থাকলে তা এড়ানো সম্ভব হয় সে সকল কারণ কে আরোপিত কারণ বলে। নিম্নে যেসকল কারণে পণ্যের মান নিম্নমানের হয় তা দেওয়া হল :

1অক্ষ শ্রমিক কর্মী 

2 নিম্নমানের যন্ত্রপাতির ব্যবহার

 3 নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহার

 4 গতানুগতিক উৎপাদন পদ্ধতির ব্যবহার 5 মূলধনের অভাব

 6পরিকল্পনার ঘাটতি 

7 প্রযুক্তি ও কৌশলগত বিচ্যুতি 

8 দুর্বল মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা


বাহ্যিক ব্যর্থতা বা  বিচ্যুতি ব্যয় ঃ 

পণ্য বা সেবা গ্রহণের পর যে ব্যয় সংঘটিত হয় তাকে বাহ্যিক ব্যর্থতা বা বিচ্যুতি বলে। যেমনঃ ওয়ারেন্টি সার্ভিস  ব্যয় মামলা ব্যয় 

ওয়ারেন্টি ঃ ওয়ারেন্টি হল উৎপাদকের সাথে বিক্রেতার একটি লিখিত চুক্তি যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রয় কৃত পণ্যটি অথবা পণ্যটির যেকোনো পার্টস নষ্ট হলে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান স্থাপন স্থাপন করে দেবে বাপন রায় সম্পাদন করে দিবে।

 মামলা ব্যয়ঃ  অনেক সময় ত্রুটিপূর্ণ পণ্যের কারণে ক্রেতা মারাত্মকভাবে আহত হতে পারে এমনকি মৃত্যুবরণ করতে পারে এরূপ অবস্থায় ক্রেতারা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য আদালতে মামলা করতে পারে এবং এটাই স্বাভাবিক এরূপ ক্ষেত্রে কোম্পানির পক্ষে মামলাটি পরিচালনার জন্য যে সকল ব্যয় হয় সংগঠিত হয় তা মামলা ব্যয় বলে বিবেচিত।


পণ্যের মান নির্ধারণ

ক্রেতাদের প্রয়োজন মোতাবেক তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী উৎপাদিত পণ্য বা সেবার গুণগত বৈশিষ্ট্য ঠিক করা কে মান নির্ধারণ বলে। মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে তাদের প্রত্যাশা তাদের ক্রয় ক্ষমতা প্রতিষ্ঠান উৎপাদনক্ষমতা প্রতিযোগী পণ্যের মান ইত্যাদিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয় তাছাড়া মান পরিকল্পনা উপকরণ সংগ্রহ মান নিয়ন্ত্রন ইত্যাদি বিষয়গুলো মান নির্ধারণের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

মান নির্ধারণে পণ্যের গুণগতমান কে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয় যাতে তাদের মাঝে সন্তোষী সৃষ্টি হয়। 


মান নির্ধারণের পদক্ষেপ 

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্যের মান নির্ধারণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ কেননা যে পণ্যের গুণগত মান যত বেশি ভালো হবে সে পণ্য গ্রাহকের নিকট সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে এবং গ্রাহকের সন্তুষ্টি বিধান কার্যকর হবে। পণ্যের মান নির্ধারণে প্রদানকারীকে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়। যার আলোকে পণ্যটি উৎপাদন করা হয়। 

পণ্য উৎপাদনে ক্রেতাকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয় কেননা তাদের প্রত্যাশা। ও চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন করা হয় তাই ক্রেতা মূল্যায়ন করা অনেকটাই জরুরি ক্রেতা মূল্যায়নের। প্রতিষ্ঠান আরেকটি কাজ হল সুযোগ-সুবিধা মূল্যায়ন তারা যে পণ্যটি উৎপাদন করবে তার জন্য প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে কিনা যেমন প্রয়োজনীয় কাঁচামাল মেশিনপত্র জনশক্তি পদ্ধতি ইত্যাদি। প্রতিষ্ঠান সুযোগ-সুবিধা মূল্যায়নের প্রতিষ্ঠান করে তাদের প্রত্যাশিত মানের পণ্য উৎপাদন করা সহায়ক হবে তাদের জন্য শিক্ষিত তারা পরীক্ষামূলক ভাবে বা পরীক্ষামূলক মান নির্ধারণ করে পণ্য উৎপাদন  করতে পারে অস্থায়ীভাবে। এক্ষেত্রে ক্রেতাদের   প্রত্যাশা পূরণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কয়েকটি বিকল্প মান নির্ধারণ করা যেতে পারে। যে পণ্যটি পরীক্ষামুলকভাবে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উৎপাদন করেছে তার জন্য একটি প্রচার-প্রচারণা ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন কেননা তার মাধ্যমেই তারা জানতে পারবে গ্রাহকের নিকট পণ্যটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কতটা তাদের চাহিদা মেটাতে কার্যকরী এই জন্য পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারিত পণ্যের মানের প্রচার করা প্রয়োজন। পরীক্ষামূলক নির্ধারিত মান প্রচার করার পর সে সম্পর্কে তাদের মনোভাব কেমন জানার জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করতে হয় এবং প্রতিটি গ্রাহকের নিকট গ্রহণীয় হয়।  তাহলে তারা পণ্যটি চূড়ান্তভাবে উৎপাদন করবে এবং সেভাবেই মান নির্ধারণ করবে। কিন্তু কোনো কারণে যদি কাউকে সন্তুষ্টি অর্জন করতে না পারে সেক্ষেত্রে পুনরায় সংশোধন করে নতুনভাবে পণ্য উৎপাদন করতে হবে।


মান নিশ্চিতকরণ এর ধারণা   

পূর্বনির্ধারিত মান নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে মান নিশ্চিতকরণ বলা হয়। মান নিশ্চিতকরণ হল পণ্য উৎপাদনের নীতি পদ্ধতি ও দিকনির্দেশনার পদ্ধতি। এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবার মান বজায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়। মান নিশ্চিতকরণ একক কোন কাজ নয় এটি অনেকগুলো কাজের সমষ্টি যার অন্তর্ভুক্ত হলো কাঁচামালের মান ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন পরিদর্শন নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষণ মান পরিকল্পনা ইত্যাদি। 


বি এস টি আই হলো বাংলাদেশ স্টান্ডার টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI)

বিএসটিআই এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মূল কাজ হলো বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের মান ঠিক রেখে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার এবং বৈদেশিক বাজার ধরে রাখা। BSTI এর মূল কাজ হলো বাংলাদেশে যে সকল পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে তার সঠিক মান নির্ধারন, মান নিয়ন্ত্রণ করা এবং  কোন  ঘাটতি দেখা দিলে সে অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাছাড়া কোনো ব্যবসায়ী নীতিবিরুদ্ধ কোন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং পণ্যের মানে কোন ত্রুটি দেখা দিলে সে অনুযায়ী কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বাংলাদেশ মান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান হলো বিএসটিআই। 


মান নির্ধারণে আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা 

মান নির্ধারণের আন্তর্জাতিক সংস্থাটি হলো আই এস ও যার কোন রূপ হলো ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন। 

আই এস হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যা বিশ্বের সকল দেশের উৎপাদিত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের নিয়োজিত থাকে। এ সংস্থাটি একসেট মানদন্ড উদ্ভাবন করেন যার নাম আইএসও 9000 মানদণ্ড। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখে আই এস 9000। 

ISO 9000 হল এক সেট মানদন্ড যার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করে। এটি মান কর্মসূচির একটি যা এর বিশেষজ্ঞরা প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম পরীক্ষার পর প্রদান করেন এর জন্য প্রতিষ্ঠানকে কতগুলো প্রয়োজনীয় শর্ত মেনে চলতে হয় এ সনদ প্রাপ্তির পর বিশ্বের যে কোন প্রতিষ্ঠান দেশের সকল বিশ্বের সকল দেশেই তাদের পণ্য রপ্তানি করতে পারবে। কোন প্রতিষ্ঠান যদি iso-9000 হিসেবে তালিকাভুক্ত হয় তাহলে কে তারা এর মান সম্পর্কে নিশ্চিত ধারণা অর্জন করবে। 
ISO  কতৃক যে সকল পণ্যের মানদন্ড নির্ধারিত হয় তা সম্পূর্ণ নির্ভেজাল এবং স্বাস্থ্যকর।

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party