৬ষ্ঠ অধ‍্যায়:দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন

ফাইনান্স, ব্যাংকিং ও বীমা / ফাইনান্স, ব্যাংকিং ও বীমা (১ম পত্র)

৬ষ্ঠ অধ‍্যায়:দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন


দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন

কোনো স্থায়ী সম্পত্তির প্রয়োজন মেটানোর জন‍্য কিংবা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের জন‍্য তহবিল সংগ্রহ ও ব‍্যবহারের প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বলে।


দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস:

অভ‍্যন্তরীণ উৎস:

১)মালিক উদ‍্যোক্তার মূলধন

২)সংরক্ষিত মুনাফা 

বাহ‍্যিক উৎস:

১)মূলধন বাজার 
২)প্রাতিষ্ঠানিক উৎস


বন্ড ও বন্ডের প্রকারভেদ:

-দীর্ঘমেয়াদি ঋণের হাতিয়ার হলো বন্ড।

-ক্রেতার জন‍্য স্থায়ী আয় সিকিউরিটি।

বন্ড ইস‍্যুকারী কর্তৃপক্ষ:

-সরকার 

-কোম্পানি /কর্পোরেশন 

-বৈদেশিক সরকার /কোম্পানি 

-মিউনিসিপাল কর্তৃপক্ষ 

বন্ডের বৈশিষ্ট্য:

১)সুদের হার

২)পরিপক্কতা 

৩)পরিশোধ 

৪)একক মূল্য 

৫)নিমজ্জিত তহবিল 

৬)কল প্রভিশন

৭)ইনডেঞ্চার

৮)জামানত

৯)ইল্ড

১০)সম্পত্তি ও আয়ের উপর দাবি

বন্ডের শ্রেণিবিভাগ:

  • ইস‍্যুকারী প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিতে:

১.ট্রেজারি বন্ড

২.কর্পোরেট বন্ড

৩.বৈদেশিক বন্ড

৪.মিউনিসিপাল বন্ড

  • জামানতের ভিত্তিতে:

১.জামানতবিহীন বন্ড

-ঋণপত্র -আয় বন্ড

-অধীন বন্ড

২.জামানতযুক্ত বন্ড

  • মালিকানার ভিত্তিতে :

১.বাহক বন্ড 

২.নিবন্ধিত বন্ড 

  • অন‍্যান‍্য বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে:

১.জিরো কুপন বন্ড

২.পরিবর্তনশীল সুদযুক্ত বন্ড

৩.তলবযোগ‍্য বন্ড

৪.পুট বন্ড

৫.রূপান্তরযোগ‍্য বন্ড


বন্ড হতে প্রাপ্তি পরিমাপের ৩টি পদ্ধতি রয়েছে:

১)মেয়াদ পূর্তিতে আয়ের হার(Yield to Maturity YTM)- পুরো মেয়াদকাল পর্যন্ত ধরে রাখার ফলে অর্জিত আয়ের হার।

YTM= I+(MV-SV/N)/(MV+SV/2)×100

Here, I=Interest rate

MV=Maturity value 

SV =Sales Value

N= number of year

২)ইল্ড টু কল(Yield to Call YTC)- মেয়াদপূর্তির পূর্বেই ইস‍্যুকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বন্ড তলব করা হলে ঐ বন্ড হতে অর্জিত আয়ের হার।

YTC=I+(CP-SV/N)/(CP+SV/2)×100

Here, CP= Call price

৩)চলতি ইল্ড- বন্ড হতে প্রাপ্ত বর্তমান আয়ের হার।

Current Yield (CY)={Annual Interest (I )/Market Price( P)}×100


স্টক

-স্টক সাধারণত ২ প্রকার:

১.সাধারণ শেয়ার/ Common Stock

২.অগ্রাধিকার শেয়ার/ Preferred Stock

-পাওনাদার ও অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারদের ফার্মের সম্পত্তি ও আয়ের উপর সকল দাবি পরিশোধের পর যা অবশিষ্ট থাকে তা থেকে দাবি পরিশোধ করা হয় সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের। তাই সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের Residual Owners বা অবশেষ অংশের মালিক বলা হয়।

– অগ্রাধিকার শেয়ারকে Hybrid Security বা শংকর জাতীয় সিকিউরিটি বলা হয় কারণ এতে সাধারণ শেয়ার ও ঋণপত্র উভয়ের বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।

বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের স্পর্শকাতর বিষয় সমূহ:

-শেয়ার বাজার সংক্রান্ত জ্ঞানের অভাব

-তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও সিকিউরিটিজ সংখ্যার স্বল্পতা

-বিনিয়োগ ব‍্যাংকের অভাব

-ফটকাবাজদের দৌরাত্ম্য 

-রাজনৈতিক অস্হিরতা

-নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অদক্ষতা

-সরকারি ব‍্যর্থতা


বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্ণায়ক:

১.ঝুঁকি

২.মোট মুনাফা অনুপাত 

৩.নীট মুনাফা অনুপাত

৪.শেয়ার প্রতি আয়

৫.শেয়ার প্রতি লভ্যাংশ 

৬.ব‍্যবসার প্রকৃতি

৭.মূলধন খরচ

৮.শেয়ার প্রতি নীট সম্পদ

৯.প্রাইস আর্নিং রেশিও

১০.সুদ ও মুদ্রাস্ফীতির হার

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party