৩য় অধ্যায়ঃ উৎপাদনের মাত্রা

উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন / উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন (১ম পত্র)

৩য় অধ্যায়ঃ উৎপাদনের মাত্রা

একটি প্রতিষ্ঠান কি পরিমান উৎপাদন করবে তা আগে থেকে নির্ধারণ করে নিতে হয়।আর এ অধ্যায়েই আমরা তা শিখে নেবো।চলো তাহলে গুরুত্বপূর্ণ টপিক সহ জেনে নেই।


গুরুত্বপূর্ণ টপিক :
১. উৎপাদন মাএার ধারনা।
২. উৎপাদন মাএার ধরন ও প্রকারভেদ।
৩. মাএাজনিত ব্যয় সংকোচ বা মিতব্যয়ী উৎপাদন মাএার সাথে জড়িত ব্যয়সমূহ।
৪. অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাএার ধারনা।
৫. হ্মুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ এর ধারণা।
৬. হ্মুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ এর বৈশিষ্ট্য।
৭. বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজের গুরুত্ব।
৮. উৎপাদনের কাম্য মাএার সুবিধা।
৯. কাম্য উৎপাদন মাএা নিধারণের বিবেচ্য বিষয়সমূহ।




উৎপাদন মাএার ধারণাঃ

 প্রতিষ্ঠানের আথিক সামথ্য, ব্যবস্তাপনার দহ্মতা, বাজার পরিস্থিতি, উৎপাদন কৌশল এবং অন্যান্য মাএা সুযোগ- সুবিধার আলোকে যে পরিমাণ পণ্য বা সেবা উৎপাদন করা সম্বব হয় তার মাএাকে উৎপাদনের মাএা বলে। উৎপাদনের মাএা বা আকার বলতে উৎপাদনের পরিমাণকে বুঝায়।

  উৎপাদন মাত্রার ধরন ও প্রকারভেদঃ

উৎপাদন মাত্রা কে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে 

  1. ক্ষুদ্রায়তন মাত্রা 
  2. মাঝিরে আয়তন মাত্র 
  3.  বৃহদায়তন উৎপাদন 
  4. কাম্য মাত্রা উত্তোলন

ক্ষুদ্রায়তন উৎপাদন : 

উৎপাদনকারী শিল্পের বেলায়া। কোন শিল্পের স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয় সহ ভূমি ও কারখানা ভবন বাদে ন্যূনপক্ষে 75 লক্ষ টাকা থেকে 15 কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা 13 জন থেকে 120 জন থাকলে তাকে ক্ষুদ্রায়তন শিল্প বলে তবে বাণিজ্যিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যেখানে 16 জুন থেকে 50 জন কর্মী কর্মরত এবং স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয় সহ ভূমি ও কারখানা ভবন বাদে 10 লক্ষ টাকা থেকে দুই কোটির মধ্যে সীমাবদ্ধ হলে এর সংজ্ঞা অন্তর্গত হয় 

মাঝারি আয়তন উৎপাদন :

 উৎপাদনকারী শিল্পের বেলায় কোন শিল্পের স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয় সহ ভূমি ও কারখানা ভবন বাদে ন্যূনপক্ষে 15 কোটি থেকে 50 কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা 120 জন থেকে 300 জন থাকলে তাকে মাঝারি প্রতিষ্ঠান বলে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পের শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ 1000 জন থেকে 120 জন কর্মী কর্মরত এবং স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপনীয় কারখানা দালান বাড়ি থেকে 30 কোটির মধ্যে সীমাবদ্ধ হলে এই সংজ্ঞার অন্তর্গত হয়। 

বৃহদায়তন উৎপাদন : 

উৎপাদনকারী শিল্পের বেলায় কোন শিল্পের স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয় সহ কারখানা ভবন বাদে 50 কোটি টাকার অধিক অথবা 300 জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত থাকলে তাকে বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বলে। সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রেই কর্মীর সংখ্যা 120 জনের অধিক হলে অথবা স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ভূমি ও কারখানা ভবন বাদে 30 কোটি টাকার অধিক হলে এসংক্রান্ত অর্থ 

কাম্য উৎপাদন মাত্রা :

যে পরিমাণ উৎপাদন কার্যকরী চালনা করলে সকল দিক বিবেচনায় সর্বনিম্ন হয় তাকে কাম্য মাত্রার উৎপাদন বলে এই ব্যয় নির্ধারণের সাথেই উৎপাদনের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী সকলকে বিবেচনা করা হয় বিভিন্ন স্থানে যেমন ভাড়া ইত্যাদি খরচের সাথে অবচয় সুবিধা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কারিগরি অবস্থাও ব্যবস্থাপকীয় সামর্থের বিষয় বিবেচনায় নেয়া হয়


মাত্র জনিত ব্যয় সংকোচ বা মৃত ব্যয় উৎপাদন মাত্রার সাথে জড়িত সমূহ

এর জন্য প্রথমে আমাদের জানতে হবে মৃত ব্যয় উৎপাদন বা কি। মাত্রা জনিত ব্যয় সংকোচ কি।

যে উৎপাদন ধারণায় উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি করা হলে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পেতে থাকে তাকে মাদ্রা জনিত ব্যয় সংকোচ বা মৃত ব্যয় উৎপাদন মাত্রা বলে।আমরা জানি উৎপাদন মাদ্রাসার সাথে ব্যয়ের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বিদ্যমান।উৎপাদনের পরিমাণ বাড়লে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায় এটি একটি ব্যবসায় সাধারণ নিয়ম। একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত উৎপাদন বৃদ্ধি করলে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায় এর চেয়ে বেশি উৎপাদন করলে তা আবার বৃদ্ধি পায়। 

এখন আমরা জানবো মাথা জনিত ব্যয় সংকোচ বা মৃত ব্যয় উৎপাদন মাত্রা সাথে জড়িত সম্পর্কে 

উৎপাদন মাত্রা সাথে জড়িত থাকে দুই ধরনের পরিবর্তনশীল ব্যয় স্থির ব্যয়

পরিবর্তনশীল ব্যয়ঃ

 উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে যে ব্যয় সমহারে বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদনের পরিমাণ হ্রাস পেলে যে ব্যবহারে রাশ পায় তাকে পরিবর্তনশীল ব্যয় বলে। যেমন কাঁচামাল ব্যয় মজুরি বাবদ ব্যয় এক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচ ধারণা কার্যকর নয়। 

স্থির ব্যয়ঃ

একটি উৎপাদন ধর্মী প্রতিষ্ঠান উৎপাদন হোক বা না হোক যেভাবে সংঘটিত হয় তাকে স্থির ব্যয় বলে অন্যভাবে বলা যায় উৎপাদন হ্রাস বা বৃদ্ধি পেলে জীবের কোন পরিবর্তন হয় না তাকে স্থির ব্যয় বলে যেমন ম্যানেজারের বেতন কর্মচারীর বেতন মাসিক ভাড়া ইত্যাদি


 অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রার ধারণাঃ

 আমিত ব্যয়  উৎপাদন মাত্রা ধারণাটি মিত ব্যয় উৎপাদন মাত্রা ধারণাটির বিপরীত অর্থাৎ যে উৎপাদন ধারণাই উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি করা হলে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেতে থাকে তাকে অমিত ব্যয়  উৎপাদন মাত্রা বলে। এই ধারণায় উৎপাদনের পরিমাণ যদি বৃদ্ধি করা হয় তাহলে এক প্রতি উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়। 


ক্ষুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ এর ধারণাঃ

ক্ষুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে পরিচিত সরকারে খাতকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের এস এম এস এম ই ফাউন্ডেশন রয়েছে ।বাংলাদেশের যেসকল শিল্প কারখানা রয়েছে তার 90% হল ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প শিল্প খাতে যে পরিমাণ জনশক্তি কর্মরত তার আশেপাশে এ ধরনের শিল্পে নিয়োজিত 45 অবদান এ শিল্পের রপ্তানি আয়ের 75 পার্সেন্ট থেকে 80 পার্সেন্ট শিল্পের মাধ্যমে অর্জিত হয়।বাংলাদেশ ৬০ লাহ্মের মত ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জাতীয় উৎপাদনে এর অবদান 75 পার্সেন্ট। 

এর আগের  আমরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছি। 

ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানঃ

জাতীয় শিল্পনীতি 2016 অনুযায়ী উৎপাদনকারী শিল্পের বেলায় কোন শিল্পের স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপনীয় কারখানা ভবন বাদে ন্যূনপক্ষে 75 লক্ষ টাকা থেকে 15 কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা 130 জন থেকে 120 জন থাকলে তাকে ক্ষুদ্রায়তন শিল্প বলে তবে বাণিজ্যিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে থেকে 50 জন কর্মী কর্মরত এবং স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয় সহ ভূমি ও কারখানা দালান বাদে 10 লক্ষ টাকা থেকে 2 কোটি মধ্যে সীমাবদ্ধ।

মাঝারি প্রতিষ্ঠান :

উৎপাদনকারী শিল্পের বেলায় কোন শিল্পের স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপনীয় কারখানা ভবন বাদে 15 কোটি টাকা থেকে 50 কোটি টাকা অথবা শ্রমিকের সংখ্যা 121 জন থেকে 300 জন হলে তাকে মাঝারি প্রতিষ্ঠান বলে বাণিজ্যিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে যেখানে 51 জন থেকে 120 জন কর্মী কর্মরত এবং স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ভূমি ও কারখানা ভবন বাদে দুই কোটি টাকা থেকে 30 কোটির মধ্যে সীমাবদ্ধ।। 

 ক্ষুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ এর বৈশিষ্ট্য গুলিঃ

আমরা জানি প্রত্যেক জিনিসেরই কিছু ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার মাধ্যমে তাকে চিহ্নিত করা হয় ঠিক তেমনি ক্ষুদ্র ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজ এর কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে ঃ

1 স্বল্প মূলধনে 

২. স্বাধীন ব্যবস্থাপনা 

৩.এলাকা কেন্দ্রিক কার্যক্রম   

৪. ব্যবসা এর কার্য প্রকৃতি 

5 স্বল্প সংখ্যক শ্রমিক কর্মী 

6 স্বাধীন কাঁচামালের ব্যবহার 

7 প্রতিষ্ঠান শ্রমঘন প্রতিষ্ঠান 

৮. শ্রমিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্ক 

৯. বাজার শেয়ার 

10 স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা 

11 আধুনিক প্রযুক্তির অভাব 

12 স্বল্প আইনগত আনুষ্ঠানিকতা 

13 সহজ নিয়ন্ত্রণ


বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ এর ধারণা ও গুরুত্বঃ

 জাতীয় শিল্পনীতি 2016 অনুযায়ী বৃহৎ শিল্প বলতে উৎপাদনমুখী বৃহৎ শিল্প বলতে সে সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যে সকল প্রতিষ্ঠান জমি ও কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পত্তির মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয় সহ 50 কোটি টাকার অধিক কিংবা যে সকল প্রতিষ্ঠানে 300 জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। অন্যদিকে সেবামূলক শিল্পের ক্ষেত্রে বৃহৎ শিল্প বলতে সে সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যে সকল প্রতিষ্ঠানে জমি ও কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয় সহ তিরিশ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসকল প্রতিষ্ঠান 120 জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। 

বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ এর গুরুত্বঃ

বাংলাদেশ অনেকগুলো বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ হয়েছে যেমন আকরিক লৌহ শিল্প ইস্পাত শিল্প 

বৃহদায়তন নিষ্কাশন শিল্পসমূহ  কয়লা খনিজ তৈল কয়লা গ্যাস ইত্যাদি বিদ্যুৎ ও গ্যাস ইত্যাদি হল বৃহদায়তন শিল্প আর বৃহদায়তন শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাই এর তাই এর গুরুত্ব অনেক 

1 প্রাকৃতিক সম্পদের সদ্ব্যবহার মৌলিক 

2 ভারী ও মৌলিক শিল্প পরিচালনা 

3 ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান নেতৃত্বদান 

4 ব্যাপক মানুষের কর্মসংস্থান 

5 উন্নত কর্মপরিবেশ সুরক্ষা ইত্যাদি 

উৎপাদনের কাম্য মাত্রা ধারণাঃ

 উৎপাদনের কাম্য মাত্রা বলতে প্রতিষ্ঠান উৎপাদন অবস্থার এমন একটা পর্যায় কে বোঝায় যেখানে গড় ব্যয় সর্বনিম্ন হয় অর্থাৎ উৎপাদন ব্যয় একক প্রতি সর্বনিম্ন মাত্রায় পৌঁছে এরকম করবে নির্ধারণের সাথে উৎপাদনের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী সকল ধরনের বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ বিভিন্ন স্থায়ী প্রকৃতির ব্যয় যেমন বেতন ধারা ধারা ভাড়া ইত্যাদি খরচ এর সাথে অবচয় সুদ ইত্যাদিও হিসেবে ধরা হয় এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান কারিগরি অবস্থা ও ব্যবস্থাপকীয় সামর্থের বিষয় বিবেচনায় নেয়া হয়। অর্থাৎ আমরা বলতে পারি যে মাত্রায় উৎপাদন করা হলে গড় ব্যয় সর্বনিম্ন হয় উৎপাদনের সেই মাত্রা কে উৎপাদনের মাত্রা বলে অর্থাৎ এই মাত্রায় উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন মাত্রায় পৌঁছে 

কাম্য উৎপাদন মাত্রা নির্ধারণের বিবেচ্য বিষয় সমূহঃ

উৎপাদনের কাম্য মাত্রা  বলতে  উৎপাদনের সেই মাত্রা কে বোঝায় যে পরিমাণ উৎপাদন করলে মোট মুনাফা সর্বোচ্চ হয় অথবা একক ঘর পতি উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন হয়। তবে উৎপাদনের কাম্য মাত্রা পরিমাণ শুধুমাত্র একটি উপাদানের উপর নির্ভর করে 

1 ব্যবহৃত স্থান 

2 বিনিয়োজিত মূলধন

3 শ্রম ব্যয় 

৪. ব্যবহৃত কাঁচামাল 

5 প্রযুক্তি 

6 প্রকৃতি পণ্যের প্রকৃতি 

7 ব্যবস্থাপনার কার্যপরিধি

 8 গুদামজাতকরনের সামর্থ্য

৯. বাজারের অবস্থা 

10 বিপণন সামর্থ্য

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party