১ম অধ্যায়ঃ উৎপাদন।

উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন / উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন (১ম পত্র)

১ম অধ্যায়ঃ উৎপাদন।

 

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পএে মোট ১০টি অধ্যায়। আর  এক্সাম এ প্রশ্ন আসে   ১১টি। অথাৎ প্রতিটি অধ্যায় থেকে ১টি করে প্রশ্ন তো আসছেই সাথেই যেকোন একটি অধ্যায় থেকে ২টি প্রশ্ন আসবে। তাই প্রতিটি অধ্যায় খুব ভাল করে পরতে হবে যাতে যেইখান থেকে প্রশ্ন আসুক না কেন সব ভাল মতো উওর দেওয়া যায়। 

গুরুত্বপূর্ণ টপিকসঃ

১. উৎপাদনের ধারনা। 

২. কিভাবে বিভিন্ন  প্রকরের উপযোগ সৃষ্টি হয়।

৩. উৎপাদনের গুরুত্ব। 

৪. উৎপাদনশীলতার ধারনা। 

৫. বিভিন্ন  প্রকার উৎপাদনশীলতা এবং তা পরিমাপের  পদধতি।

৬. উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব।

মূলত এই সকল টপিক থেকে   প্রশ্ন আসে সবসময়।  এখন আমরা এই টিপক গুলো সম্পর্কে  বিস্তারিত জানবো।

উৎপাদনঃ 

মানুষ তার শ্রম  ও বুদ্ধিমওাকে কাজে লাগিয়ে  প্রকৃতিক সম্পদে  যে বিনিময়যোগ্য বাড়তি উপযোগ সৃষ্টি করে তাকে উৎপাদন বলে। উৎপাদন করা হয় প্রধানত  দুইটি উদ্দেশ্য নিয়ে 

#ভোগ বা ব্যাবহার। 

#অভাব বা চাহিদা পূরণ।

উৎপাদনের মাধ্যমে প্রকৃতিক সম্পদকে মানুষের ব্যাবহার উপযোগি পণ্যে পরিনত করা হয় এবং এর মাধ্যমে রূপগত, স্থানগত,  মালিকানা, কালগত ঝুঁকিগত, অর্থগত ইত্যাদি উপযোগ সৃষ্টি হয়। তাই অর্থনীতিতে উপযোগ সৃষ্টিকে উৎপাদন বলে।


কিভাবে বিভিন্ন   প্রকার উপযোগ সৃষ্টি হয়ঃ

 বিভিন্ন ধরনের  বস্তগত ও অবস্তগত সামগ্রীর মধ্যে মানুষের অভাব পূরণের যে হ্মমতা বিদ্যমান তাকে ঐ সামগ্রীর উপযোগ বলে। অথাৎ মানুষের অভাব মোচনের  হ্মমতাকে উপযোগ বলে।

উপযোগের প্রকারভেদ – 

১. রূপগত উপযোগ : কোন জিনিসের আকার আকৃতির পরিবর্তন করে যে বাড়তি উপযোগ সৃষ্টি করা হয় তাকে রূপগত উপযোগ বলে।

২.  স্থানগত উপযোগ : একস্থান থেকে দ্রব্যসামগ্রী অন্যস্থানে স্থানান্তর করার ফলে যে উপযোগ সৃষ্টি হয় তাকে স্তানগত উপযোগ বলে।

৩. সময়গত উপযোগ : এক সময়ের উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করে অন্য সময়ে যে বাড়তি উপযোগ পাওয়া যায় তাকে সময়গত উপযোগ বলে।

৪. মালিকানাগত উপযোগ : পণ্যের মালিকানা পরিবর্তনের ফলে যে  উপযোগ  সৃষ্টি হয় তাকে মালিকানাগত উপযোগ বলে । যেমন :   ক্রয়-বিক্রয় এর মাধ্যমে পণ্যের মালিকানা স্থানান্তর হয়।

৫. সেবাগত  উপযোগ : গ্রহকদের প্রয়োজন পূরণে সামথ এমন কোনো কাজ, সুবিধা বা তৃপ্তিকে সেবা বলে। প্রত্যেকটা মানুষই নানান ধরনের সেবার প্রত্যাশা করে। প্রতিটি সেবার মধ্যে মানুষের আভাব পূরণের যে সামথ্য বিদ্যমান এবং যে জন্য সেবাদানকারীকে সেবাগ্রহীতা অথ প্রদানে রাজি থাকে তাকেই সেবাগত উপযোগ বলে। 


উৎপাদনের গুরুত্বঃ

 উৎপাদনের গুরুত্ব অপরিসীম পণ্য বা সেবা উৎপাদন ছাড়া মানুষের প্রতিদিনের সকল কাযকম সম্পূর্ণ হয় না। উৎপাদনের গুরুত্বকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

১. উৎপাদকের দৃষ্টিকোন হতে : উৎপাদকের দৃষ্টিকোন হতে  উৎপাদনের গুরুত্ব অনেক যেমন : প্রথমে তাকে উদেশ্য  অর্জন করতে  হয় পণ্যের উপযোগ সৃষ্টি করে আয়ের উৎস নিধারন করতে হয়। সেই অনুযায়ী যে  প্রতিযোগিতার  সৃষ্টি হয় তা মেকাবেলার ব্যাবস্থা করতে হয়। উৎপাদনের মাধ্যমে ব্যাবসায় সম্প্রসারণ  করা সম্ভব এবং  প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার যোগান দেয়া এবং গ্রহকদের চাহিদা অনুযায়ী গবেষণা ও উন্নয়ন করা। 

২. ভোক্তাদের দৃষ্টিকোন হতে : 

* চাহিদা পূরণ 

* জীবনযাএার মান বৃদ্ধি 

* যথাসময়ে পণ্য প্রাপ্তি 

* সামাজিক মযাদা বৃদ্ধি 

* নিজেকে  উপস্থাপন

* সভ্যতার সুফল ভোগ

৩. অথনীতির দৃষ্টিকোন হতে :

* কমসংস্থান সৃষ্টি 

* শিল্পায়ন 

* সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি 

* সম্পদের সব্দ্যবহার 

* অবকাঠামোগত উন্নয়ন 

* অথনৈতিক প্রবৃদ্ধি  অর্জন 

* সামাজিক অঅগ্রগতি লাভের উপায় 


 উৎপাদনশীলতার ধারণাঃ

 কোনো নিদিষ্ট মানের উৎপাদিত পণ্য এং তা উৎপাদনে  যে সকল উপাদান ব্যাবহার করা হয় তাদের অনুপাতকে উৎপাদনশীলতা বলে।

উৎপাদনশীলতা = উৎপাদিত পণ্যের (আউটপুট) / উৎপাদনে ব্যাবহত উপাদান ( ইনপুট) 

একজন ব্যাক্তি যে পরিমাণ সময় ব্যয় করে অন্য আরেকজন ব্যাক্তি একই সময়ে তার চেয়ে বেশি পরিমান কাজ বা উৎপাদন করলে পরের জনের উৎপাদনশীলতা বেশী। উৎপাদনশীলতা বাড়লে প্রতিষ্ঠান,  মালিক , শ্রমিক,  দেশ সবাই উপকৃত হয়।

বিভিন্ন  প্রকার উৎপাদনশীলতা এবং তা পরিমাপের  পদ্ধতিঃ

উৎপাদনশীলতাকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়ঃ

১.মোট/সার্বিক উৎপাদনশীলতাঃ

২.শ্রমের উৎপাদনশীলতাঃ

৩.যন্ত্রের উৎপাদনশীলতাঃ

৪.মালামালের উৎপাদনশীলতাঃ

৫. মূলধনের উৎপাদনশীলতাঃ

উৎপাদনশীলতার গুরুত্বঃ

কোন নির্দিষ্ট মানের উৎপাদিত পণ্য এবং তা উৎপাদনের যে সকল উপাদান ব্যবহার করা হয় তাদের অনুপাতকে উৎপাদনশীলতা বলে 

কি পরিমান উৎপাদন বা স্বল্পেতে কি পরিমাণ উপকরণ খরচ বা ব্যয় করতে হচ্ছে তার অনুপাতকে উৎপাদনশীলতা বলে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য উৎপাদনশীলতা গুরুত্বপূর্ণ নিম্নে উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো 

১. মুনাফা বৃদ্ধি 

২. কার্য সন্তুষ্টি বৃদ্ধি

 ৩. সম্পদের সদ্ব্যবহার

 ৪. ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ

৫. ব্যবস্থাপকীয় দক্ষতা মূল্যায়ন

৬. প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জন

৭. ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন

৮.ব্যবসা সম্প্রসারণ 

৯.প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন অর্থনৈতিক উন্নয়ন

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party