রক্তে আমার অনাদি অস্থি- দিলওয়ার

HSC / পদ্য / বাংলা ১ম পত্র

রক্তে আমার অনাদি অস্থি- দিলওয়ার

লেখক পরিচিত

~নামঃ দিলওয়ার।
প্রকৃত নামঃদিলওয়ার খান।জনমনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে পারিবারিক ‘খান’উপাধি বর্জন করেন।
~গণমানুষের কবি।

জন্মঃ ১৯৩৭খ্রীষ্টাব্দের পহেলা জানুয়ারি সিলেট শহরসংলগ্ন সুরমা নদীর দক্ষিণ তীরবরতি ভার্থখলা গ্রামে
জন্মগ্রহণ করেন।
পিতাঃ মৌলভী মোহাম্মদ হাসান খান।
মাতাঃ রহিমুন্নেসা।
~১৯৬৭সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ ও ১৯৭৩-৭৪ সালে ‘দৈনিক গণকণ্ঠে’ সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন
করেন।
~তাঁর কবিতার মূল সুর দেশ,মাটি ও মানুষের প্রতি আস্থা ও দায়বদ্ধতা।
~গণমানবের মুক্তি তাঁর লক্ষ্য।
~ সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন বাংলা একাডেমী পুরস্কার ও একুশে পদক।

মৃত্যুঃ ১০ই অক্টোবর ২০১৩খ্রীস্টাব্দ।

ছন্দঃ

কবিতাটি ছয় মাত্রার মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।প্রতি পঙক্তি ৬+৬ মাত্রার পূর্ণ পর্বে এবং ২মাত্রার অপূর্ণ পর্বে
বিন্যস্ত।

সংকলনঃ

“রক্তে আমার অনাদি অস্থি” কবিতাটি কবির একই নামের কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা। “রক্তে আমার অনাদি অস্থি”
১৯৮১ সালে সিলেট থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।সংকলিত কবিতাটি কবীর চৌধুরীর উদ্দেশে উৎসর্গিত।

শর্ট তথ্যঃ

  • মোট লাইনঃ-২৪ টি
  • নদীঃ-৬ টি(পদ্মা, যমুনা,সুরমা,মেঘনা,গঙ্গা, কর্ণফুলী)
  • সাগরঃ– বঙ্গোপসাগর
  • পদ্মাঃ-৩ বার
  • যমুনাঃ– ৩ বার
  • সুরমাঃ– ৩ বার
  • মেঘনাঃ-২ বার
  • গঙ্গাঃ-১ বার
  • কর্ণফুলীঃ-১ বার
  • বিরাম চিহ্নঃ-১১ টি
  • পুর্ণচ্ছেদঃ-১ টি
  • পাদচ্ছেদঃ-৪টি
  • বিস্ময়সূচকঃ-৫ টি
  • ড্যাসঃ-১ টি

গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তির ব্যাখ্যাঃ


১.”তোমাদের বুকে আমি নিরবধি

গণমানবের তুলি!”
=কবি এখানে,বাংলায় জীবনরূপ যেসব নদী নিরন্তর বয়ে চলেছে,গণশিল্পীর তুলি হাতে সেই বিচিত্র জীবনের
রূপকার হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেছেন।
২.”কত বিচিত্র জীবনের রং
চারদিকে করে খেলা,
মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে ঘুরে
কাটায় মারণ বেলা!”

=বাংলার জনজীবন যে হাজারো বাধা আর মৃত্যুর ফাঁদে পরিপূর্ণ সেটি এই পঙক্তিদ্বয়ে তুলে ধরেছেন কবি
দিলওয়ার।

সারমর্মঃ

“রক্তে আমার অনাদি অস্থি” কবিতায় দিলওয়ার সাগরদুহিতা ও নদীমাতৃক বাংলাদেশের জীবন প্রকৃতিকে তুলে
ধরেছেন,গণমানুষের শিল্পী হিসেবে নিজের প্রত্যয় ও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।বহমান নদীর পথ যেমন অসংখ্য
বাধা দ্বারা জর্জড়িত তেমনি বাংলার এই জীবনও যে অসংখ্য মৃত্যুর ফাঁদে পরিপূর্ণ তা জানিয়ে দিয়েছেন সাথে এ
ও ঘোষণা করেছেন যে এমন সকল ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও এই বাংলার গণমানুষ রাখে।

কবিতার গুরুত্বপূর্ণ দিকঃ

  • সাগরদুহিতা ও নদীমাতৃক বাংলাদেশের বন্দনা করেছেন।
  • গণমানুষের শিল্পী হিসেবে নিজের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
  • বাংলার জনজীবনে অসংখ্য বাধায় জর্জরিত তা উল্লেখ করেছেন।
  • এসব বাধা অথবা বিদেশী আগ্রাসন ও ষড়যন্ত্র এই জনগোষ্ঠীকে দমিয়ে রাখতে পারে না ঘোষণা করেছেন।

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party