মংডুর পথে

JSC / গদ্য / বাংলা

মংডুর পথে

মূল বিষয়বস্তু:

“মংডুর পথে” একটি ভ্রমণকাহিনী, যেখানে লেখক প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের পশ্চিম সীমান্তের শহর ‘মংডু’ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। সেখানকার মানুষের খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, ব্যবসায়-বাণিজ্য সম্পর্কে নিখুঁত বর্ণনা দিয়েছেন। এই লেখার মাধ্যমে খুব সহজেই মংডু কিংবা আংশিকভাবে মিয়ানমার সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:

  • মংডু- বার্মা/ মিয়ানমারের পশ্চিম সীমান্তের শহর।
  • চট্টগ্রামের “ব্যান্ডেল রোড” স্মৃতি ধারণ করে – পর্তুগীজদের।
  • মংডু ও টেকনাফের মাঝে অবস্থিত – নাফ নদী।
  • আরাকান রাজ্যের ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজধানী –  ম্রাউক-উ।
  • দৌলত কাজী, আলাওল সাহিত্যচর্চা করতেন – আরাকানের রাজসভায় (সপ্তদশ শতাব্দীতে)।
  • মিয়ানমারে সবাই লুঙ্গি পড়ে।
  • পাইক্যা – রিকসার মতো বাহন।
  • পাইক্যার চালক – স্থানীয় মুসলমান।
  • লেখকরা জায়গা পেলেন না – ইউনাইটেড হোটেলে।
  • বিজলি ( বিদ্যুৎ) থাকবে না – রাত ৯টার পর।
  • লেখকরা রাতের খাবার খেলেন – রয়েল রেস্তোরাঁয়।
  • রয়েল রেস্তোরাঁর মালকিন – রাখাইন মহিলা।
  • রান্নাঘর থেকে ছুটে আসা মেয়েটির নাম – ঝরনা।
  • লকলক করছে – পদাউকের পাতা ( মিয়ানমারে সেন্না বলা হয়) ।
  • সেউইজার সেতুর নদীটির নাম – সুধা ডিয়ার।
  • মিয়ানমারের মুদ্রা – চ্যা।
  • মহাথেরো পড়েছেন – চীবর।
  • মিয়ানমারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস – লুঙ্গি, ফুঙ্গি ( বৌদ্ধ ভিক্ষু ) ও প্যাগোডা।
  • ত্রিচীবর – ফুঙ্গিদের পরিধেয় বস্ত্র। এটি সেলাই বিহীন লুঙ্গির মতো এবং লাল বা লালের কাছাকাছি রঙের হয়ে থাকে।
  • ফুঙ্গিদের হাতে থাকে – ছাবাইক।
  • তরুণী নুডলস বিক্রি করছে – শিরীষ গাছের নিচে।
  • লেখকরা বিনি পয়সায় খেলেন – দুধ চিনি ছাড়া চা।
  • চায়ের দোকানে ২ জন বয় আছে।
  • মিয়ানমারে মহিলারা ব্যবসায় করে।
  • লেখক তাঁর ২ দিনের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। ২৪শে ও ২৫শে মে।
  • নদীর নাম আছে ২টি। নাফ এবং সুধা ডিয়ার।
  • যে যে খাবারের নাম আছে – পোড়া লঙ্কা (মরিচ), নুন, তেলের ভর্তা ; নুডলস্ ; মাছ ; পোড়া লঙ্কা, তেঁতুলের টক ,কলার থোড় ইত্যাদি দিয়ে স্যুপ ; ডিম সেদ্ধ ; চা।
  • গাছে নাম – বৃষ্টি শিরীষ, আম, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া, পদাউক, তেঁতুল, নারকেল, কাঠগোলাপ, সোনালু, অর্কিড।

লেখক পরিচিতি :

বিপ্রদাশ বড়ুয়া

  • জন্ম : ১৯৪০ , চট্টগ্রামের ইছামতী।
  • শিক্ষা: স্নাতকোত্তর (বাংলা), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
  • পেশা : সহকারী পরিচালক, শিশু একাডেমি (অবসরপ্রাপ্ত)
  • ছোটগল্প : যুদ্ধজয়ের গল্প, গাঙচিল।
  • উপন্যাস : মুক্তিযোদ্ধারা।
  • প্রবন্ধ : কবিতায় বাকপ্রতিমা।
  • নাটক : কুমড়োলতা ও পাখি।
  • জীবনী : বিদ্যাসাগর, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন।
  • শিশুতোষ গল্প : সূর্য লুঠের গান।
  • শিশুতোষ উপন্যাস : রোবট ও ফুল ফোটানোর রহস্য
  • সম্মাননা : অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার।

তাহিয়া ইসলাম

একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party