বাবুরের মহত্ত্ব

JSC / পদ্য / বাংলা

বাবুরের মহত্ত্ব

মূল অংশ:

“বাবুরের মহত্ত্ব” কবিতায় ভারতবর্ষের মুঘল সাম্রাজ্যের সম্রাট বাবুরের মহৎ আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরা হয়েছে। কবিতায় বাবুর উত্তর ভারত বিজয় করার পর বুঝতে পারলেন তিনি রাজ্য জয় করলেও প্রজাদের মন জয় করতে পারেন নি। এদিকে তরুণ যোদ্ধা রাজপুত রনবীর চৌহান বাবুরকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসে। ঘটনাক্রমে রাজপুত দেখতে পান বাবুর জীবনের মায়া ভুলে এক মেথর শিশুকে পাগল হাতির কবল থেকে রক্ষা করে। বাবুরের উদারতায় মুগ্ধ হয়ে রনবীর চৌহান ক্ষমা প্রার্থনা করে। বাবুর তাকে ক্ষমা করে দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ দেন। শুধু শক্তি নয়, মহৎ গুণ দিয়েও অনেক কিছু জয় করা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

  • কবিতার লাইন সংখ্যা : ৭০
  • সংগ্রাম সিংয়ের সাথে বাবুরের যুদ্ধ হয় – খানুয়ার প্রান্তরে।
  • বাবুর দখল করেছিল – সমগ্র উত্তর ভারত।
  • বাবুর মন দিয়েছে – প্রজারঞ্জনে (প্রজাকে খুশি করায়)।
  • রণবীর চৌহান – চিতোরের তরুণ যোদ্ধা, দেশপ্রেমিক।
  • বাবুরের সন্ধান করছে – রণবীর চৌহান।
  • রণবীর গুপ্ত কৃপান (তলোয়ার) সপেছিল – বাবুরের করপুটে (পায়ে)।
  • “বাবুরের মহত্ত্ব” কবিতাটি “পর্ণপুট” কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

কবি পরিচিতি:

কালিদাস রায়

  • জন্ম: ১৮৮৯
  • মৃত্যু: ১৯৭৫
  • পেশা: শিক্ষকতা।
  • উপাধি : “কবি শেখর” ; ডি.লিট (রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়)
  • কাব্যগ্রন্থ সমূহ: কিশলয়, পর্ণপুট, বল্লরী, ঋতুমঙ্গল, ক্ষুদকুঁড়া, রসকদম্ব, বৈকালী, পূর্ণাহুতি।

তাহিয়া ইসলাম

একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party