ঐকতান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

HSC / পদ্য / বাংলা ১ম পত্র

ঐকতান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

লেখক পরিচিতি :


~ বাংলা ছোটগল্পের শ্রেষ্ঠ শিল্পী।
~ “ভিখারিনী” গল্প রচনার মাধ্যমে ছোটগল্প লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে।
~ “গল্পগুচ্ছে” ৯৫টি ছোটগল্প সংকলিত আছে।
~ সর্বশেষ ছোটগল্পের নাম “মুসলমানির গল্প”।
~ কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসবাসের কালই রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প রচনার স্বর্ণযুগ।
~ মাত্র পনেরো বছর বয়সে তার প্রথম কাব্য “বনফুল” প্রকাশিত হয়।
~ “গীতাঞ্জলী” এবং অন্যান্য কাব্যের সমন্বয়ে স্ব-অনুদিত “Song Offerings” গ্রন্থ।

জন্মঃ ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫এ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে
জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যুঃ ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই আগস্ট (১৩৪৮ বঙ্

ছন্দঃ

কবিতাটি সমিল প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।কবিতাটিতে ৮+৬ এবং ৮+১০ মাত্রার পর্বই অধিক।তবে কখনও
কখনও ৯ মাত্রার অসমপর্ব এবং ৩ ও ৪ মাত্রার অপূর্ণ পর্ব ব্যবহৃত হয়েছে।

সংকলনঃ

“ঐকতান” কবির “জন্মদিনে” কাব্যগ্রন্থের ১০ সংখ্যক কবিতা।কবির মৃত্যুর মাত্র চার মাস আগে ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের
পহেলা বৈশাখ ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।১৩৪৭বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যা ‘প্রবাসী’ তে কবিতাটি
‘ঐকতান’ নামে প্রথম প্রকাশিত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ

১।কবির মন জুড়ে আছে – বিশাল বিশ্বের ক্ষুদ্র এক কোণ।
২।কবি অক্ষয় উৎসাহে পড়েন – ভ্রমণবৃত্তান্ত
৩।কবি কুড়িয়ে আনেন – চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী।
৪।কবি তার জ্ঞানের দীনতা পূরণ করে নেন – ভিক্ষালব্ধ ধনে।
৫।’ঐকতান’ কবিতায় কবি নিজেকে উল্লেখ করেছেন – পৃথিবীর কবি হিসেবে
৬।বিভিন্ন কবিরা নানাদিক থেকে গান ঢালে – প্রকৃতির ঐকতান স্রোতে।
৭।কবি সমাজের উচ্চ মঞ্চে বসেছেন -সংকীর্ণ বাতায়নে
৮।কবি ওপাড়ার প্রাঙ্গণের ধারে গিয়েছেন – মাঝে মাঝে।
৯।গানের পসরা ব্যর্থ হয় -কৃত্রিম পণ্যে।
১০। কবির কবিতা বিচিত্র পথে অগ্রসর হলেও হয়নি – সর্বত্রগামী।
১১।’ঐকতান’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেই কবির বাণী শুনতে পান – যে কবি আছেন মাটির কাছাকাছি।
১২।কবি এ দেশকে বলেন – প্রানহীন।

১৩।কবি এ দেশের চার ধারকে বলেন – গানহীন।

গুরুত্বপূর্ণ লাইনের ব্যাখ্যাঃ


★>> বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি
দেশে দেশে কত- না নগর রাজধানী-
মানুষের কত কীর্তি, কত নদী গিরি সিন্ধু মরু,
কত- না অজানা জীব, কত- না অপরিচিত তরু
রয়ে গেল অগোচরে। <<

ব্যাখা:- এই পৃথিবী বিশাল এবং বিপুল আয়তনের। এখানে জানার মত কত্ত কিছু ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কিন্তু তার
কতটুকুই বা জানি! দেশে দেশে কতই না শহর-রাজধানী আছে। মানুষের কত কীর্তি, নদী, গিরি (পাহাড়), সিন্ধু
(সাগর), মরু (মরুভুমি) ই না আছে এই বিশালাকার পৃথিবীতে! কত অজানা জীব, অপরিচিত গাছপালা এখনো
আমার জানার বাহিরেই রয়ে গেল। আমি তার সান্নিধ্য ও পেলাম না।

>> বিশাল বিশ্বের আয়োজন;
মন মোর জুড়ে থাকে অতি ক্ষুদ্র তারি এক কোণ।
সেই ক্ষোভে পড়ি গ্রন্থ ভ্রমণবৃত্তান্ত আছে যাহে
অক্ষয় উৎসাহে – <<

ব্যাখা: এ বিশ্বের আয়োজন বিশাল। কিসের আয়োজন! জানার/জ্ঞান আহরণ করার আয়োজন। কিন্তু, কবির মন
তারই ক্ষুদ্র এক কোণ জুড়ে থাকে। অর্থাৎ, কবি এখানে তার জানার সীমাবদ্ধতাটুকু অকপটে প্রকাশ করেছেন।
কবি, সেই ক্ষোভে, অর্থাৎ জানার সীমাবদ্ধতার ক্ষোভে বই পড়েন। ভ্রমণকাহিনী পড়েন। অর্থাৎ, কবি হয়ত সকল
দেশ, সকল রাজধানী, সকল অজানা কিছু জানতে পারেন নি। এটা তার সীমাবদ্ধতা। কিন্তু, তিনি তার
সীমাবদ্ধতাটুকু দূর করার জন্য বই বা ভ্রমণকাহিনী পড়ছেন। যাতে করে, সমস্ত দেশ বা নগর না ঘুরলেও যাতে
কবি সব জায়গা থেকে কিছু হলেও জ্ঞানার্জন করতে পারেন।

>> যেথা পাই চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী
কুড়াইয়া আনি।

জ্ঞানের দীনতা এই আপনার মনে
পূরণ করিয়া লই যত পারি ভিক্ষালব্ধ ধনে। <<

ব্যাখা: একটা প্রবাদ আছে। Pictures say thousand words! অর্থাৎ, কোনো কিছুর সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ
জানার জন্য, তুমি যদি খালি গৎবাধা লেখা পড়ো, তাহলে তোমার জানাটা স্বল্পস্থায়ী হবে। কিন্তু, বর্ণনাটা যদি
চিত্রময়ী হয়, বা যদি ছবির মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়, তবে সেই জানাটা তোমার মনে দাগ কেটে যাবে। কবি এই
চিত্রময়ী বর্ণনাগুলোকেই কুড়িয়ে আনেন। কবি আরো বলেছেন, তার জ্ঞানের দীনতা আছে। অর্থাৎ, তিনি জ্ঞানের
দিক থেকে গরীব। কিন্তু, তারপর ও তিনি বিভিন্ন সূত্র থেকে জ্ঞান আহরণ করে তার জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার চেষ্টা
করেন।

>> আমি পৃথিবীর কবি, যেথা তার যত উঠে ধ্বনি
আমার বাঁশির সুরে সাড়া তার জাগিবে তখনি, <<

ব্যাখা: কবি নিজেকে পৃথিবীর কবি হিসেবে ঘোষিত করেছেন। এবং বলেছেন, মানুষেরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই
থাকুক না কেন, কবির বাঁশির সুর [এখানে, কবিতার সুর] সর্বত্রই সাড়া প্রদান করবে।

>> এই স্বরসাধনায় পৌঁছিল না বহুতর ডাক –
রয়ে গেছে ফাঁক। <<

ব্যাখা: অর্থাৎ, কবির কবিতার সূর সর্বত্র পৌঁছাতে পারেনি। কবির চাওয়া, এবং তার কবিতার সুর প্রান্তিক মানুষের
পাওয়ার মধ্যে এখনো বিস্তর ব্যবধান বা ফারাক রয়েই গেছে।

★>> প্রকৃতির ঐকতানস্রোতে
নানা কবি ঢালে গান নানা দিক হতে; <
<

ব্যাখা: রবিঠাকুর বলেছেন, তার মতই আরো অনেক কবি, বিভিন্ন দিক থেকে কবিতা রচনা করে। এবং সেই
কবিতার সূরগুলো পৌঁছে দিতে চায় মানুষদের কাছে।

★>> তাদের সবার সাথে আছে মোর এইমাত্র যোগ-
সঙ্গ পাই সবাকার, লাভ করি আনন্দের ভোগ, <<

ব্যাখা: অর্থাৎ, ঐ সকল কবির সাথেই রবিঠাকুর এর যোগাযোগ রয়েছে। এবং তাদের সবার সঙ্গ পেয়ে কবি বরং
আনন্দিতই হন।

>> পাই নে সর্বত্র তার প্রবেশের দ্বার,
বাধা হয়ে আছে মোর বেড়াগুলি জীবনযাত্রার। <<

ব্যাখা: অর্থাৎ, রবিঠাকুর চাইলেও সেই সকল কবির সাথে মিশতে পারেন না। কেননা, কবিগুরুর জীবনযাত্রা আর
তাদের জীবনযাত্রায় যে এখনও ব্যবধান! এখানে খুব সম্ভবত ধনী-গরীব শ্রেণীর ব্যবধান এর ইঙ্গিত দেওয়া
হয়েছে।

★>> চাষি খেতে চালাইছে হাল,
তাঁতি বসে তাঁত বোনে, জেলে ফেলে জাল-
বহুদূর প্রসারিত এদের বিচিত্র কর্মভার
তারি পরে ভর দিয়ে চলিতেছে সমস্ত সংসার। <<

ব্যাখা: এখানে কবি, সমাজের প্রান্তিক/শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর পেশাকে মর্যাদা দিয়েছেন। এবং বলেছেন, তাদের
কাজের উপর নির্ভর করেই সংসার এগিয়ে যাচ্ছে।

★>> অতি ক্ষুদ্র অংশে তার সম্মসম্মানের চিরনির্বাসনে
সমাজের উচ্চ মঞ্চে বসেছি সংকীর্ণ বাতায়নে। <<

ব্যাখা: কবি এখানে বলেছেন, তিনি সমাজের উচ্চ মঞ্চে আসন গ্রহন করেছেন। এবং সাধারণ, প্রান্তিক
জনগোষ্ঠীর সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন। ফলে, সেই উঁচু মঞ্চের সংকীর্ণ জানালা দিয়ে সাধারণ মানুষদের এ
বড় সমাজটিকে তিনি দেখতে পারেন নি।
>> মাঝে মাঝে গেছি আমি ও পাড়ার প্রাঙ্গণের ধারে,

ভিতরে প্রবেশ করি সে শক্তি ছিল না একেবারে। <<

ব্যাখা: কবি মাঝে মাঝে ঐ সকল সাধারণ শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর পাড়ায় উঁকি দিয়েছেন। কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতার
কারণে তাদের সাথে ভালোভাবে যোগসূত্র রচনা করতে পারেন নি।
★>> জীবনে জীবন যোগ করা
না হলে কৃত্রিম পণ্যে ব্যর্থ হয় গানের পসরা। <<

ব্যাখা: কবির কবিতা যদি জীবনের সাথে জীবনই যোগ করতে না পারে, অর্থাৎ ধনী-গরীব/উচ্চশ্রেনী-নিম্ন
শ্রেনীর মাঝে অপূর্ব মেলবন্ধনই তৈরি করতে না পারে, তবে সেই কবিতা মূল্যহীন। এসব প্রান্তিক মানুষকে শিল্প-
সাহিত্যের অঙ্গনে যোগ্য স্থান দিলেই কেবল সাহিত্যসাধনা পূর্ণতা পায়।

★>> তাই আমি মেনে নিলাম সে নিন্দার কথা
আমার সূরের অপূর্ণতা।

আমার কবিতা, জানি আমি,
গেলেও বিচিত্র পথে হয় নাই সে সর্বত্রগামী। <<

ব্যাখা: কবি নিজের সীমাবদ্ধতাটুকু মেনে নিলেন। অনেকেই কবির নামে নিন্দে করত, যে তিনি শুধু বাবুসাহেব
দেরকে নিয়েই সাহিত্য রচনা করেন। কবি সেই নিন্দেটুকুও মেনে নিলেন। কবি নিজেই জানেন, তার কবিতা
বিচিত্র পথে গেলেও সর্বত্র পৌঁছাতে পারেনি।

>> কৃষাণের জীবনের শরিক যে জন,
কর্মে ও কথায় সত্য আত্মীয়তা করেছে অর্জন, <<

ব্যাখা: কৃষকের জীবনের মত জীবন যে অতিবাহিত করতে পারছে, সে সত্যিই কথায় ও কাজে আত্মীয়তা অর্জন
করতে পেরেছে।
আত্মীয়তা? কাদের সাথে আত্মীয়তা?
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাথে।

★>> এসো কবি অখ্যাতজনের

নির্বাক মনের।
মর্মের বেদনা যত করিয়া উদ্ধার- <<

ব্যাখা: বিখ্যাত শব্দের বিপরীত হল অখ্যাত। এখানে, রবিঠাকুর এমন কবিকে আহবান করছেন, যিনি এসব
অখ্যাত মানুষদের জীবনকে আবিষ্কার করতে পারবেন। অর্থাৎ, সাধারণ কর্মজীবী মানুষদের জীবনকে কবিতার
দ্বারা তুলে ধরার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, কবিগুরুর কবিতা সর্বত্রগামী না হওয়ার যে ব্যাথা, সেই মর্মের
ব্যাথা উদ্ধার করার জন্য তিনি নতুন কবিকে আহবান করেছেন।

★>> প্রাণহীন এ দেশেতে গানহীন যেথা চারি ধার,
অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ সেই মরুভুমি
রসে পূর্ণ করি দাও তুমি। <
<

ব্যাখা: কবি এখানে বুঝাতে চেয়েছেন, যে সাহিত্যের ভুবন আনন্দহীন মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। কারণ,
সমাজের শ্রমজীবী মানুষেরা সাহিত্যসভায় উপেক্ষিত। তারা সাহিত্যে স্থান পায়নি। এজন্য কবি আহবান করেছেন
নতুন আরেক কবিকে, যিনি এসব শ্রমজীবী মানুষদের স্থান দিবেন সাহিত্যের ভুবনে। এবং সাহিত্যভুবন এর
উষরতা (শুষ্কতা) কে রসে পূর্ণ করে দিবেন।

★>> অন্তরে যে উৎস তার আছে আপনারি
তাই তুমি দাও গো উদবারি। <<

ব্যাখা: উদবারি মানে হল, উপরে বা উর্ধ্বে প্রকাশ করা। কবি বলছেন, হে নতুন কবি, তোমার অন্তরে যে রসের
উৎস আছে, তা উন্মুক্ত করে দাও।

<< সাহিত্যের ঐকতানসংগীতসভায়
একতারা যাহাদের তারাও যেন সম্মান পায় – <<

ব্যাখা: অর্থাৎ, সাহিত্যের সভায়, যেখানে জীবনের সূর যোগ করা হয়, সেখানে যেন অবজ্ঞাত বা উপেক্ষিত
মানুষেরাও সম্মান লাভ করে।

★>> মূক যারা দু:খে সুখে,

নতশির স্তব্ধ যারা বিশ্বের সম্মুখে,
ওগো গুণী,
কাছে থেকে দূরে যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি। <<

ব্যাখা: কবি বলেছেন, তিনি সেসব লোকেদের বাণী শুনতে চান, যারা কাছে থেকেও দূরে। যারা দু:খ-সুখ সহ্য
করা নির্বাক মানুষ। যারা এগিয়ে চলা পৃথিবীতে এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না।

সারমর্মঃ

অশীতিপর স্থিতপ্রজ্ঞ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে নিজের জীবনের অপূর্ণতার
দিকগুলো উপলব্ধি করতে পেরেছেন।তিনি বুঝতে পেরেছেন,এই পৃথিবী বিচিত্র জনজীবন,বিচিত্র সংস্কৃতি,বিচিত্র
সব অভিজ্ঞতা দ্বারা পরিপূর্ণ।জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কবি বুঝতে পেরেছেন নিজের সীমাবদ্ধতার
কথা।নানান জগতের সাথে পরিচিত হলেও এই পৃথিবীর সকল কিছুর সাথে পরিচিত হওয়া তার পক্ষে সম্ভব
ছিল ন।তাই তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন নিজের সেই অপরিপূর্ণতার কথা এবং অনাগত ভবিষ্যতে সেই মৃত্তিকা
সংলগ্ন কবির আবির্ভাব কামনা করেন যিনি জীবনে জীবন যোগ করতে পারবে,পারবে সমাজে অবহেলিত
মানুষদের সাহিত্যের আসরে যথোপযুক্ত স্থান দিতে।


কবিতার গুরুত্বপূর্ণ দিকঃ


১.বিশাল এই পৃথিবী নানান বৈচিত্র্যময়তায় পরিপূর্ণ।
২.কবি নিজের জীবনে বিশাল সেই পৃথিবীর সকল বৈচিত্র্যতার সাথে পরিচিত হতে পারেন নি।
৩.কবির চারপাশে একটি আভিজাত্যের দেয়াল ছিল যার কারণে তিনি সমাজের অবহেলিত মানুষদের সাথে
সংযোগ স্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
৪.তাই কবি অনাগত ভবিষ্যতে এমন এক কবির আগমন কামনা করেন যিনি সমাজের তৃণমূলী অবহেলিত
মানুষদের সাহিত্যের আসরে যথোপযুক্ত স্থান দিতে পারবেন।

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party