অধ্যায় ১০ঃ ব্যবসায় উদ্যোগ

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা / ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (১ম পত্র)

অধ্যায় ১০ঃ ব্যবসায় উদ্যোগ

গুরুত্বপূর্ণঃ উদ্যোগ কি, ব্যবসায় উদ্যোক্তার ধারণা, উদ্যোগ ও ব্যবসায় উদ্যোগের সম্পর্ক,ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলি,সফল উদ্যোক্তার গুণাবলি, ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে উঠার অনুকূল পরিবেশ,একটা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগের গুরুত্ব, বাংলাদেশে ব্যবসায় উদ্যোগ উন্নয়নে সমস্যা,নারী উদ্যোক্তাদের সরকার প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা।

অধিক গুরুত্বপূর্ণঃ উদ্যোগ কি, ব্যবসায় উদ্যোক্তার ধারণা, উদ্যোগ ও ব্যবসায় উদ্যোগের সম্পর্ক,সফল উদ্যোক্তার গুণাবলি, ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে উঠার অনুকূল পরিবেশ।

উদ্যোগ কি

কোনো নতুন চিন্তা মাথায় রেখে যখন কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ তা বাস্তবায়নের প্রয়াস নেন তাকে উদ্যোগ বলে। এর সাথে নতুন চিন্তা বা নতুন কিছু করার বিষয় জড়িত।

ব্যবসায় উদ্যোক্তার ধারণা

যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ ব্যবসায় বিষয়ে নতুন চিন্তা মাথায় নিয়ে তা বাস্তবায়নে উদ্যোগী হন তাকে ব্যবসায় উদ্যোক্তা বলে।
উদ্যোক্তা সাধারণ ব্যবসায়ী নন,পেশাদান ব্যবস্থাপকও নন বরং তার চেয়ে বেশি কিছু।তাঁরা সম্ভাবনার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করে ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে যেতে আনন্দ অনুভব করেন। অন্যের অধিনে কাজ না করে নিজেই নিজের কর্মস্থান সৃষ্টি করেন।

উদ্যোগ ও ব্যবসায় উদ্যোগ

উদ্যোগ হলো কোনো ইতিবাচক নতুন চিন্তা মাথায় রেখে তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা।

ব্যবসায় উদ্যোগ হলো নতুন ব্যবসায় গঠন বা নতুন পণ্য,সেবা, পদ্ধতি বা বাজার সামনে রেখে একজন ব্যবসায়ীর নতুন উদ্যোগ।
অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, আন্তর্জাতিক যে কোনো বিষয়েই উদ্যোগ গৃহীত হতে পারে কিন্তু ব্যবসায় উদ্যোগের বিষয়বস্তু নতুন ব্যবসায় শুরুর সাথে সম্পর্কিত। এটি সম্পূর্ণরূপে নতুন ব্যবসায় হতে পারে, নতুন পণ্য বা সেবা ব্যবসায়ে সংযুক্ত করার প্রয়াস হতে পারে।
উদ্যোগের উদ্দেশ্য মূলত জনকল্যাণ কিন্তু ব্যবসায় উদ্যোগের উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন।

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য

ব্যবসায় অন্যান্য উপজীবিকা থেকে ভিন্নতর। এর উদ্দেশ্যও অন্যান্য কাজ থেকে আলাদা৷ তাই ব্যবসায় উদ্যোগ অন্যান্য উদ্যোগ থেকে প্রকৃতিগতভাবেই ভিন্ন প্রকৃতির।

১. মুনাফা অর্জন সংশ্লিষ্টঃ উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা আত্মকর্মসংস্থানের পাশাপাশি মুনাফা অর্জনের মাধ্যমে জীবিকা অর্জন ও সাফল্য লাভের প্রয়াস চালায়।

২.ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার আধিক্যঃ নতুন চিন্তা ও ধারণা নিয়ে যখন কেউ ব্যবসায় নামে তখন তার সম্ভাবনা ও সমস্যাগুলোকে আগাম সেভাবে মূল্যায়ন করা যায় না। ফলে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা অনেকাংশেই বেশি থাকে।

৩.নতুন ধারণার সাথে সম্পর্কযুক্তঃ ব্যবসায় উদ্যোগ হবেই নতুন কোনো চিন্তা,ধারণা থেকে। ব্যবসায় উদ্যোগ এ বিচারে গতানুগতিক ব্যবসায় থেকে ভিন্ন।

৪.কৃতিত্ব অর্জনে বিশেষ সম্মান লাভঃ মানুষ বিভিন্নভাবেই সাফল্য লাভ করেন কিন্তু সর্বত্রই কৃতিত্ব অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশেষ সম্মান লাভ হয়না। কোনো ব্যবসায়ীর নতুন উদ্যোগ যখন সফল হয় তখন তার যোগ্যতার স্বীকৃতিমেলে ও তার বিশেষ সম্মান লাভ ঘটে।

৫.সাফল্যের ইতিবাচক ফল যথেষ্টঃ ব্যবসায় উদ্যোগ সফল হলে তা উদ্যোক্তার মধ্যে ব্যাপক অনুপ্রেরণা জাগায়। তদুপরি তার উদ্যোগ সর্বত্র প্রশংসিত হওয়ায় তা তাকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করে।

৬.উদ্যোগ গতানুগতিক ব্যবসায় কর্মকাণ্ড নয়ঃ ব্যবসায় উদ্যোগ গতানুগতিক ব্যবসায় গঠন থেকে ভিন্ন কিছু। বাবার ব্যবসায় পুত্র করলে তা ব্যবসায় উদ্যোগ হবেনা। নতুন পণ্য, সেবা, পদ্ধতি ইত্যাদি নিয়ে বাজার নামে তখন তাকে অনেক বেশি চিন্তা ও পরিশ্রম করতে হয় এবং ঝুঁকি নিতে হয়।।

ব্যবসায় উদ্যোগের কার্যাবলি

ব্যবসায় উদ্যোগের কার্যাবলি হলো-

১. উদ্যোগ চিন্তার উন্নয়ন
২.সম্ভাব্যতা যাচাই ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ
৩. অর্থসংস্থান
৪.ঝুঁকি গ্রহণ
৫. উপকরণাদি সংহতকরণ
৬. বাজার সৃষ্টি
৭. সাফল্য -ব্যর্থতা মূল্যায়ন
৮.উন্নিয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

সফল উদ্যোক্তার গুণাবলি

সফল উদ্যোক্তা নিঃসন্দেহে একজন সৃজনশীল উদ্ভাবক,উত্তম সংগঠক, যোগ্য পরিচালক ও সফল নেতা। তিনি সাধারণ ব্যবসায়ী বা ব্যবস্থাপক থেকে ভিন্ন। নিম্নে একজন সফল উদ্যোক্তার বিভিন্ন গুণ বা বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো-

১. সৃজনশীল মানসিকতা বা সৃজনশক্তিঃ নতুন কিছু চিন্তা করার এবং তা দিয়ে একটা ধারণাকে দাঁড় করাতে পারার মতো ব্যক্তির মানসিক সামর্থ্যকে সৃজনশীল মানসিকতা বা সৃজনশক্তি বলে। নতুন ব্যবসায় দাঁড় করেন, নতুন পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ইত্যাদি করতে পারেন। নতুন বাজার সৃষ্টি করতে পারেন যার সবকিছুর জন্য সৃজনশীল মানসিকতা বা সৃজনীশক্তি প্রয়োজন।

২. কৃতিত্বার্জন চাহিদাঃ একজন ব্যক্তির মধ্যে কৃতকার্যের সাফল্য লাভের প্রবল আকাক্ষাকে কৃতিত্বার্জন বা সাফল্যার্জন চাহিদা বলে। কোনো ব্যক্তি যদি তার কাজে সাফল্য না পান তাহলে সে সেই কাজ করতে অনীহা বোধ করেন। তাই একজন সফল উদ্যোক্তা সাফল্য অর্জনের তীব্র আকাক্ষা ও আশাবাদী মন নিয়ে পথ চলে।

৩. দূরদৃষ্টিঃ জ্ঞানচক্ষু বা বিশেষ জ্ঞান দ্বারা ভবিষ্যৎকে উপলব্ধি বা বুঝতে পারার সামর্থ্যকে দূরদৃষ্টি বলে। একজন ব্যক্তি যদি তার ব্যবসায় নিয়ে সুদূর চিন্তা না করতে পারেন,কখন কি হতে পারে তা চিন্তা না করতে পারেন, কী কী বাধা আসতে পারে তা চিন্তা না করতে পারলে সে কখনোই সফল উদ্যোক্তা হতে পারবেনা।

৪.সাহস ও বুদ্ধিমত্তাঃ নির্ভিকভাবে পথ চলতে পারার গুণকেই সাহস বলে।অন্যদিকে মানুষের বোধশক্তি ও বিচারশক্তিকে বুদ্ধিমত্তা বলে।বোধশক্তিসম্পন্ন একজন মানুষ যদি করণীয় ঠিক করে সাহসীকতার সাথে তা অর্জনে পথ চলতে পারে তবে তার পক্ষে সাফল্য অর্জন সম্ভব। ঝুঁকিপূর্ণ, অনুমাননির্ভর ও অচেনা পথে কার্যত জীবনকে বাজি রেখে একজন উদ্যোক্তা তার উদ্যোগ চিন্তাকে বাস্তবায়ন করে।

৫. ধৈর্য ও কষ্টসহিষ্ণুঃ যে গুণের প্রভাবে একজন মানুষ বিরূপ পরিস্থিতিতে প্রতিকূলতা সহ্য করে নিজ লক্ষ্যপানে এগিয়ে যেতে পারে তাকে ধৈর্য বলে। অন্যদিকে দুঃখ,ক্লেশ, বেদনা ইত্যাদি সহ্য করতে পারার গুণকে কষ্টসহিষ্ণু বলে। নতুন ব্যবসায় শুরু করলে অনেক হতাশাব্যাঞ্জক বাধার মুখোমুখি হতে হয়,অনেক হতাশা বাধা দেয় -এসব পরিস্থিতিতেও যে অবিচল না হয়ে,ধৈর্য ধরে এবং দুঃখ ও বেদনাকে সহ্য করেও টিকে থাকলে সেই সফল হবে।

৬. ঝুঁকি গ্রহণের মানসিকতাঃ আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনাকে ঝুঁকি বলে। এই ক্ষতি মেনে নেয়ার মত মনকেই উদ্যোক্তার ঝুঁকি গ্রহণের মানসিকতা বলে। যে কোনো নতুন উদ্যোক্তার ঝুঁকির বা ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে।একজন উদ্যোক্তা তার সময়,শ্রম ও পুঁজিকে সমন্বিত করে এবং বিভিন্ন দায়ের বোঝা মাথায় নিয়ে উদ্যোগকে এগিয়ে নেন। এরূপ মানসিকতা তাকে সাহস যোগায়।

৭. সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ্যঃ বিভিন্ন বিকল্প করণীয় থেকে বাস্তবতার আলোকে উত্তম করণীয় নির্বাচন করতে পারার গুণকেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ্য বলে। উদ্যোগ গ্রহণ থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত হাজারো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে কখনোই সফলতা অর্জন সম্ভব নয়।

৮.নিষ্ঠা ও আন্তরিকতাঃ কর্তব্য -কর্মে দৃঢ় অনুরাগ,আস্থা,বিশ্বাস, মনোযোগ ইত্যাদিকে নিষ্ঠা বলে। অকৃত্রিমতা, কপটতামুক্ততা,লোক দেখানো ভাব পরিহার করে কাজ করাকে আন্তরিকতা বলে। একজন সফল উদ্যোক্তাকে অবশ্যই নিষ্ঠাবান ও আন্তরিক হতে হবে। মানুষ যখন একজন দায়িত্বশীল, ন্যায়বান উদ্যোক্তা দেখেন তখন তাকে সহযোগিতা করতে কুন্ঠিত বোধ করেন না।

৯.যোগাযোগ দক্ষতাঃ অন্যের বা অন্যদের নিকট সঠিক সময়ে সঠিক উপায় বা পদ্ধতিতে নিজের বক্তব্য বা প্রয়োজন কার্যকরভাবে তুলে ধরে উদ্দেশ্য অর্জনের সামর্থকে যোগাযোগ দক্ষতা বলে। সবার সাথে যোগাযোগ না রাখলে অনেক সময় বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।আর অন্যদের সাথে সুসম্পর্ক থাকলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

১০. সামাজিক দায়িত্ববোধঃ সমাজের প্রতি করণীয় রয়েছে উদ্যোক্তার এই বোধকেই সামাজিক দায়িত্ববোধ বলে। একজন উদ্যোক্তাকে সফলতা লাভে সমাজের বিভিন্ন পক্ষের সাথে কাজ করতে হয়। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের প্রতি দায়িত্ব পালনের স্বাভাবিক অনুভূতি যদি তার মধ্যে না থাকে তবে তার পক্ষে সংশ্লিষ্টদের সহানুভূতি অর্জন সম্ভব হয়না।

১১. মূল্যবোধ ও নৈতিকতাঃ কোনটি ভালো এবং কোনটি মন্দ এ সংক্রান্ত উদ্যোক্তার বোধকে মূল্যবোধ এবং ভালোকে গ্রহণ ও মন্দ এড়িয়ে চলাকে নৈতিকতা বলে। অন্যায় ও অসৎ চিন্তা ও আচরণ দিয়ে কারও পক্ষেই বেশিদূর এগুলো সম্ভব নয়- এ ভাবনা উদ্যোক্তার মধ্যে থাকার প্রয়োজন পড়ে।

১২. সাংগঠনিক জ্ঞান ও দক্ষতাঃ মানবীয় ও বস্তগত উপকরণাদিকে কার্যকরভাবে সংহত করে সংগঠন প্রতিষ্ঠা এবং যোগ্যতার সাথে তা পরিচালনা করার সামর্থ্যকেই সাংগঠনিক জ্ঞান ও দক্ষতা বলে।

ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে উঠান অনুকূল পরিবেশ

ব্যবসায় উদ্যোগের সাথে যেহেতু ঝুঁকির প্রশ্ন জড়িত তাই ব্যবসায় উদ্যোগ গ্রহণে একজন ব্যক্তি স্বভাবতই অনুকূল পরিবেশের প্রত্যাশা করে। এরূপ পরিবেশ বলতে নিম্নোক্ত উপাদানসমূহ –

১. উন্নত অবকাঠামোগত সুবিধা
২. সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা
৩. আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা
৪.অনুকূল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
৫. পর্যাপ্ত পুঁজির প্রাপ্যতা
৬. উপকরণাদির সহজ প্রাপ্যতা
৭. বাজার সুবিধা
৮.প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নের সুবিধা

একটা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগের গুরুত্ব বা অবদান

(ক) অর্থনৈতিক গুরুত্বঃ

১. ব্যবসায় উন্নয়ন
২. ব্যবসায় ক্ষেত্রের সম্প্রসারণ
৩.সম্পদের সদ্ব্যবহার
৪.উৎপাদন বৃদ্ধি
৫.ব্যক্তিগত ও জাতীয় আয় বৃদ্ধি
৬. দক্ষতার উন্নয়ন

(খ) সামাজিক গুরুত্বঃ

১.বেকার সমস্যার সমাধান
২.নতুন নতুন পণ্য ও সেবা প্রাপ্তি
৩.উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি
৪.বিদেশ নির্ভরতা হ্রাস

বাংলাদেশে ব্যবসায় উদ্যোগ উন্নয়নে সমস্যা

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে অর্থনীতির সকল ক্ষেত্রের ন্যায় শিল্পোদ্যোকগেও অনেক সমস্যা দেখা যায়। নিম্নে সমস্যাসমূহ দেখানো হলো-

১. উদ্যোগ বিষয়ক শিক্ষার অভাব
২.প্রশিক্ষণের অভাব
৩. সরকারি সাহায্য-সহযোগিতার অভাব
৪. মূলধনের অভাব
৫. আইনগত জটিলতা
৬. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাব
৭.প্রচার-প্রচারণার অভাব।

নারী উদ্যোক্তাদের সরকার প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা

বাংলাদেশের সরকার বেশ আগে থেকেই দেশের নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে যেতে বিভিন্ন সহায়তা করছে।

১.প্রশিক্ষণ সুবিধাঃ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নারীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। মহিলা অধিদপ্তর ৬৪টি জেলার বিদ্যমান মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উন্নয়ন ও বৃত্তিমূলজ আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। এছাড়া নগরভিত্তিক প্রান্তিক মহিলা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৪৬টি জেলায় ইতিমধ্যেইব২৭,৬০০ মহিলাকে প্রশিক্ষণ দেয়ার লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন পর্যায়ে রয়েছে।

২.অর্থ প্রদান সহায়তাঃ যে সকল নারীরা নিজেদেরকে স্ববলম্বী ও উদ্যোক্তা হিসেব্র গড়ে তুলতে ইচ্ছুক,প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সেজন্য প্রস্তুত করছে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে ঋণ ও আর্থিক সুবিধা দেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প কাজ করছে। নারীদের ৫,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও নারী উদ্যোক্তাদের ১০% সুদে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত গ্যারান্টির বিপরীতে পঁচিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party