অধ্যায় ৯: বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ

JSC / বিজ্ঞান

অধ্যায় ৯: বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ

তড়িৎ প্রবাহ:

✓তড়িৎ প্রবাহ মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ মানে ঋনাত্মক আধানের প্রবাহ।
✓তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার যাকে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
✓তড়িৎ প্রবাহ চলার সম্পূর্ণ পথকে তড়িৎ বর্তনী বলে। তড়িৎ যন্ত্র ও উপকরণ সমূহ সংযুক্তির
ভিত্তিতে বর্তনী দুইপ্রকার: শ্রেণী সংযোগ বর্তনী এবং সমান্তরাল সংযোগ বর্তনী।
✓বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার(সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে) জন্য অ্যামিটার ব্যবহৃত হয়।
✓তড়িৎ প্রবাহ দুরকম: এসি/পর্যায়বৃত্ত (নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়) প্রবাহ এবং
ডিসি/অপর্যায়বৃত্ত (সময়ের সাথে দিকের পরিবর্তন ঘটেনা) প্রবাহ।

তড়িৎ প্রবাহের সার্বজনীন সূত্রটি হলো:
I = V/R
এটিকে ও’ মের সূত্র ও বলা হয়; যেখানে I তড়িৎ প্রবাহ, V তড়িৎ বিভব পার্থক্য এবং R রোধ।

তড়িৎ বিভব পার্থক্য:

✓একক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে আনতে সম্পন্ন কাজের পরিমাণ ওই
বিন্দুর তড়িৎ বিভব পার্থক্য।
✓বিভব পার্থক্য না থাকলে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
✓বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট যাকে V দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
✓বিভব পার্থক্য মাপার(সরাসরি ভোল্ট এককে) জন্য ভোল্টমিটার ব্যবহৃত হয়।

রোধ:

  • পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় সেটিই রোধ।
  • রোধের এস আই একক ও’ম যাকে ওমেগা (Ω) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

Written by:

নাফিসা আনজুম মৌলি

ব্যাংকিং ও বীমা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party