অধ্যায় ১: প্রাণীজগতের শ্রেণীবিন্যাস

JSC / বিজ্ঞান

অধ্যায় ১: প্রাণীজগতের শ্রেণীবিন্যাস

১৫ লক্ষ প্রজাতির প্রাণী সম্পর্কে জানা এত সহজ না! এদেরকে সহজ ভাবে জানার জন্যই শ্রেণীবিন্যাস
পদ্ধতির উৎপত্তি। এই বিশাল জীবজগৎকে সহজে জানার জন্য ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করাকেই শ্রেণীবিন্যাস
বলা হয়।

শ্রেণীবিন্যাস এর ৭টি ধাপ আছে :

  • জগৎ (Kingdom)
  • পর্ব (Phylum)
  • শ্রেণী (Class)
  • বর্গ (Order)
  • গোত্র (Family)
  • গণ (Genus)
  • প্রজাতি (Species)

শুধুমাত্র ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করলেই সকল জীব কে নিয়ে জানা সম্পূর্ণ হয় না। এক কথায় জানার জন্য দরকার
হয় একটি সার্বজনীন বৈজ্ঞানিক নাম। আর এই প্রয়োজনীয়তা থেকেই লিনিয়াস প্রবর্তন করেন দ্বিপদ
নামকরণ পদ্ধতি।গণ এবং প্রজাতি নাম নিয়ে এই দুই অংশ বিশিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম করা হয়। যেমন: বাঘের
বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris ; যেখানে Panthera গণ এবং tigris প্রজাতি নাম।

সকল জীব Animalia জগতের অন্তর্ভুক্ত। এই জগৎকে আবার ৯টি পর্বে ভাগ করা হয়। যার মধ্যে ৮টি পর্ব
নন কর্ডাটা বা অমেরুদণ্ডী। সাধারণত নন কর্ডাটা পর্বের প্রাণীগুলো কর্ডাটা পর্বের থেকে অনুন্নত
বৈশিষ্টের অধিকারী হয়ে থাকে।
নন কর্ডাটা পর্বগুলো নিম্নরূপঃ
১.পরিফেরা
২. নিডারিয়া
৩. প্লাটিহেলমিন্থেস
৪.নেমাটোডা
৫.অ্যানিলিডা

৬.আর্থ্রোপোডা
৭.মলাস্কা
৮.একাইনোডার্মাটা
সর্বশেষ পর্বটি হল কর্ডাটা পর্ব।

শ্রেণীবিন্যাস এর প্রয়োজনীয়তা:


এত লক্ষ লক্ষ প্রাণীকে শ্রেণীবিন্যাস এর আওতায় আনা নিশ্চয়ই সহজ কাজ নয়।এরপরও বিজ্ঞানীরা কাজ
করেছেন,করে যাচ্ছেন সকল প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস করতে। কেনো এতো কষ্ট করা? কারণ;

১.অল্প সময় ও অল্প পরিশ্রমে জীবজগৎ সম্পর্কে জানা
২.নতুন প্রজাতি শনাক্তকরণে সাহায্য পাওয়া
৩.প্রাণীদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক,মিল – অমিল সম্পর্কে জানা
৪.জীবজগতের পরিবর্তন সম্পর্কে ধারণা লাভ।

Written by:

নাফিসা আনজুম মৌলি

ব্যাংকিং ও বীমা,

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Leave your thought here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Free 10 Days

Master Course Invest On Self Now

Subscribe & Get Your Bonus!
Your infomation will never be shared with any third party